Engagements in Social & Other Activities

Screenshot 2018-09-14 09.08.11Screenshot 2018-09-14 09.08.25

Featured post

Articles in Various Newspapers & Magazines











Featured post

Media Coverage

Featured post

Booming Bangladesh


7th Day of the month of October 2018 shall perhaps remain as of the most glorious days of my life for the future days to come. Let me tell you a story that has happened on that epic day. I was invited to attend a Fair organised by The High Commission of the Government of The People’s republic of Bangladesh in London to showcase the epitome of acceleration of Bangladesh in the recent few years.

What I have seen and what I have heard in that meeting and presentation keeps on reverberating in my ears since that day. I was wanting to write about that evening for the last few weeks but due to millions of things in my to do list put that urge of writing at the back burner for all this time.

Bangladesh my country of birth is sailing to the pinnacle of growth and its salient features of growth, advancement, numbers and percentages of quantifications are simply astronomical. I don’t want to bore my readers with those numbers and figures but instead I would rather do a bit of my reminiscence of my country from the very moment of its birth to today.

I was 11 years old on the 17th of December 1971, we said good bye to our refugee camp in Agartala, India and started a journey; almost emulating the Odyssey. Like the Greek warriors coming back home after the fall of The Troy. However, that epic journey coming back home was painful to see sitting on top of the luggage and bedding on an open top jeep in the midst of chilli December afternoon made me cry with despair, anger and emptiness. The whole journey from Kasba, B. Baria to Sylhet (with a few stoppages en route) was the most horrific of all journeys of my life. Saw on the roads hundreds and thousands of burned military jeeps, lorries, tanks, cannon, artillery carriages littered astride the road. Millions of people walking back home from their refugee camps clutching whatever little belongings they had. Kids with no clothes let alone warm clothes. Mothers in their torn sarees. Fathers carrying huge loads on their heads. The arable land was all empty. Hundreds of bridges were blown away, Indian army engineers were busy fixing them to build makeshift Bailey bridges. As far as my eyes could see there were hardly any houses standing most of them set fire to ashes by the heinous perpetrators.

From those impediments and precious state of life with not a single penny of our National Exchequer’s reserve. The journey of a newly born nation started and the other day what I saw and what I have found out was an utter astonishment.

How a country can progress so fast and how can a country prove its resilience? – One ought to go and visit Bangladesh!

Once negated by a so called diplomat full of arrogance and ignorance by calling the nation a ‘’Bottom of Basket.’’ Well, come and visit Bangladesh and see for yourself what Bengalis can do. The so called country who wanted to annihilate, de populate and ethnically cleanse Bengalis and Bangladesh are now crying to their leaders to turn their country like Bangladesh and emulate the eye watering progression of Bangladesh – I guess some revenges are so sweet in nature to say the least.

It made my eyes moistened remembering my days in school with one shirt and one pair of trousers due to acute shortage of fabrics and now that Bangladesh is sewing shirts and trousers for the rest of the world – can anyone imagine what a journey it had been ?

Bangladesh today is standing tall in the world with a monumental year on year growth in excess of 6 to 7% when many of the first world’s top economies are grappling with growth at 1 – 3.2% percent.

What a joy to get and what a proud moment for us all to cherish this monumental achievement of excellence. It’s an imperative matter of significance that these all has happened due to the stable, dynamic and long lasting governance of our present government under the auspicious leadership of Honourable Prime Minister; the standard bearer of the Flag of our beloved Father of the Nation. The people must view and believe in reality not rhetorics. Seeing is believing. This is perhaps the time for ending the politics of division and destruction. Bangladesh and her people need better governance and a sustainable economy to remain tall in the world society.

I am absolutely engulfed with emotions and remembrance of 1971 – our Great liberation war. After all of that I can console myself that, the blood that soaked the soil of Bangladesh from the fallen body of my martyr brother has not gone in vain. Bangladesh has made him proud.

Thank you Bangladesh for yet again proving everyone wrong by climbing the podiums of excellence to pinnacles.

Writer is a historian and a public speaker.
A Researcher on the History of the
Liberation war

প্রজন্ম বাংলাদেশ – বিলাতে !


সেদিন দুপুরে গিয়েছিলাম লন্ডনের বিখ্যাত লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিক্স এ একটা সেমিনারে – ওইখানের লেডিস লাইব্রেরি ( সবার জন্য উন্মুক্ত) বসে বসে ভাবছিলাম আর পান করছিলাম আমার প্রিয় কাপ্পুচিনো ।
ওখানেই পরিচিত হলাম আমার পাশের টেবিলে বসা কয়জন ছাত্র/ছাত্রীর সাথে – মুখে শুদ্ধ কুইন্স ইংলিশের ফুলঝুরি । শুনে বা দেখে বিন্দুমাত্রও বুঝার উপায় নাই ওরা যে বাংলাদেশি বলে ; অনেকক্ষণ কথোপকথনের পর একজনকে প্রসঙ্গক্রমে জিজ্ঞেস করলাম – হয়াইর আর ইউ ফর্ম ? বলল আমার বাড়ি বাংলাদেশ সিলেট – বড়লেখার লাতুতে … কি যে এক আনন্দ পেলাম শুনে তা ভাষায় প্রকাশ করতে পাড়া আমার পক্ষে সম্ভব নয় … বললাম যে ছোট বেলায় আমি এক সময় অল্প কয়েক মাস লাতু প্রাইমারী স্কুলে পড়েছি । ২১ বছর বয়সী লাবনী আহমেদ এল এস ই তে ইকনমিক্স এ শেষ বছরের ছাত্রী – আর সাথে আরও তিন বন্ধু সবাই বাঙ্গালী। চুটিয়ে অনেকক্ষণ গল্প করলাম ওদের সাথে – ক্ষণিকের জন্য ফিরে গেলাম আমার ফেলা আসা তারুণ্যের সময়টাতে। কথা প্রসঙ্গে জানলাম ওদের সবার গল্প – কৃতিত্ব এবং ওদের অদম্য আকাঙ্ক্ষা ও উদ্দীপনা । আনন্দে আর উল্লাসে মন টা ভড়ে গেলো । প্রায় ৬০ – ৭০ জন বাংলাদেশি ছাত্র ছাত্রী পড়ছে ওদের শিক্ষালয়ে । ভাবতেও আশ্চর্য লাগে – । কোথা থেকে কোথায় পদার্পণ করেছে আমাদের সম্প্রদায় বিলেতে !

বাংলাদেশি অভিবাসীদের সন্তানেরা সাড়া গ্রেট ব্রিটেনের এক উতকৃষ্ট জনগোষ্ঠী হিসাবে ক্রমানয়ে ক্রমানয়ে আবির্ভূত হচ্ছে মৃদু পায়ে পায়ে । একদা ব্রিটিশ সমাজের সকল সামাজিক জরিপের সিঁড়ির নিম্ন স্তরে অবস্থান গ্রহণকারি সেই সম্প্রদায় সকল সামাজিক উন্নয়ন বিশেষজ্ঞদেড় ভুল প্রমাণিত করে এগিয়ে যাচ্ছে বীরদর্পে ।
যেন ওদের মনের বাসনা টাই ছিল

‘’ দুর্গম ও গিরি ক্যানতার মরু
দুস্তর ও পারাপাড় হে
লঙ্ঘিতে হবে রাত্র নিশিতে
যাত্রীরা হুশিয়ার ’’

আশি কিংবা নব্বই দশকের মাথাব্যথা আজ মাথার মুকুট হিশেবে আত্মপ্রকাশ করেছে । ব্রিটিশ গণমাধ্যম এ যেন বাঙ্গালিদের জয় জয়গান । সরকারি হিসেব অনুযায়ী বর্তমানে ব্রিটেনে ৬ লক্ষ বাংলাদেশি বসবাস করছে যা নাকি ১শ কুঁড়ি হাজারের মত পরিবার আর আজ বিলাতের ঐ ১২০, ০০০ পরিবারে আছে কম করে হলেও ১২o,০০০ গ্রাজুয়েট অনেক পরিবারে রয়েছে একের অধিক গ্রাজুয়েট ।

আজ বিলাতে বাংলাদেশি ছাত্র/ছাত্রী রা উড়িয়ে দিয়েছে এক বিজয় কেতন। বেশী দিন আগের কথা নয় যখন বিভিন্ন জরিপে উপাত্তের নিম্ন মুখী জায়গাটা দখল করতো আমাদের সম্প্রদায় আর আজ ওড়াই পড়ছে অক্সফোর্ড , ক্যামব্রিজ, এল এস ই , কিংস কলেজের মত বিশ্ব বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে , পড়ছে ইঞ্জিনিয়ারিং, পদার্থ বিজ্ঞান, মেডিছিন, ন্যানো টেকনোলজি, নিউরো সায়েন্স, ইংলিশ লিটারেচার সহ সকল বিষয়ে। সমান ভাবে পড়াশুনা করে এগিয়ে যাচ্ছে বীর বাঙ্গালীর সন্তানেরা । অতি সন্তর্পণে পালনও করে যাচ্ছে বাঙ্গালীর ঐতিয্য এবং চালচলন । দেশ প্রেম এবং সামাজিক অনুশাসনে অনুপ্রাণিত এই সব প্রজন্ম কে দেখে আনন্দে মনটা সেদিন ভড়ে গিয়েছিল ।

ঘরে ফিরে ভাবলাম – আসলেই আমার উচিৎ এই উৎকর্ষটাকে নিয়ে কিছু গবেষণা করবো আর যদি সময় পাই তাহলে লেখব কয়েকটা লাইন । আশ্চর্য হয়ে গেলাম রিসার্চ এর উপাত্ত গুলো দেখে ।

বাঙ্গালী মেয়েরা আজ ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে আছে – মহিলা এম্পাওারমেন্ট এর এক বিশাল মাইল ফলক । লন্ডনে শতকরা ৭২ জন বাংলিরা বসবাস করে – লন্ডনের স্কুল গুলোর অন্যতম প্রধান দ্বিতীয় ভাষা বাংলা । শতকরা ৬২% বাঙ্গালী ছাত্র ছাত্রী রা কম করে হলেও পাঁচ টা জি সি এস সি নিয়ে পাস করে আসছে । কোন কোন সময় প্রতিশোধ ও যে এতো মধুর হয় তা আমার জানা ছিল না – যার মিষ্টতা খুঁজে পেলাম যখন পড়লাম বাংলাদশিরা এগিয়ে আছে পাকিস্তানি সম্প্রদায় থেকে ।

শতকরা ৯১% বাংলাদেশিরা নিজেদের কে ব্রিটিশ মনে করে যা নাকি অন্য কোন অভিবাসী সম্প্রদায়রা নিজেদের এতোটা ব্রিটিশ মনে করে না ।

আজ আমাদের সম্প্রদায়ের সন্তানেরা চাকরী করছে দশ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে, হাউস অফ কমন্সে, হাউস অফ লর্ডসে, ব্রিটিশ আর্মিতে , বিশ্ব বিখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা এম আই ফাইভে, এম আই সিক্সএ, লন্ডন স্টক এক্সেঞ্জে কাজ করছে মিলিওন মিলিওন পাইন্ড এর লেনদেন হওয়া সব মার্চেন্ট ব্যাংকে, এমন কোন সংস্থা নেই যেখানে আমাদের পদচারনা নেই ।

একদা যাদের কে বলেছিল কেই কেই বটম লেস বাসকেট বলেছিল আর আজ ঐ সম্প্রদায়ের সন্তানেরা বাস্কেট ভড়ে ভড়ে অর্থ উপার্জন করছে এবং পৃথিবীর সবচে’ প্রসিদ্ধ দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতিতে এবং বাব্যসায় রাখছে উল্লেখযোগ্য অবদান ।

এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং নিজেও ছিলাম এক বালক মুক্তিযোদ্ধাদের হাসপাতালের সেবক ১৯৭১ সালের সেই কালো দিন গুলোতে – স্বপ্নেও ঘুণাক্ষরেও ভাবিনী এমন সুন্দর দিন দেখাবে আমাদের সন্তানেরা ।

লেখতে যেয়ে চক্ষুদ্বয় আনন্দঅশ্রুতে সিক্ত প্রায়।

কবি তো তাই লিখেছিল আজ থেকে প্রায় ৯৭ বছর পূর্বে …

”বল বীর বল চির মম শির’’

গ্রেট ব্রিটেনে বাংলাদেশি মালিকনাধিন কারি রেস্তোরা ব্যবসা


ইংরেজি ভাষায় একটা অতি প্রাচীন প্রবাদ আছে, ‘’ ভিকটিম অফ অওন সাকসেস ‘’ ঘটনা অনেকটা তাই । গ্রেট ব্রিটেন – মানে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং উত্তর অ্যাইয়ারল্যান্ড এর এমন কোন সিটি নগরী, বন্দর, শহর বা গ্রাম নেই যেখানে বাংলাদেশি বাঙ্গালিদের রেস্তোরা নাই।বাংলাদেশিরাই একমাত্র অধিবাসী সম্প্রদায় যারা ব্রিটিশ জাতিকে উপ্রহার দিয়েছে একটা
‘ জাতীয় কারি ‘ – নাম তার – ”চিকেন টিক্কা মসল্লা” ; ৩- ৪ বছর বয়স্ক শিশুরাও জানে এই কারিটির নাম । যা নাকি ব্রিটেনের গত ২ হাজার বছরের ইতিহাসে অন্য কোন ইমিগ্রান্ট সম্প্রদায় এরকম কিছু রাষ্ট্রীয়ভাবে সর্বস্বীকৃত কারি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পাড়ে নাই । বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের জন্য এটা একটি সর্বশ্রেষ্ঠ স্বীকৃতি।

সমগ্র ব্রিটেনের আনাচে কানাচে প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই কারি রেস্তোরা ও টেক ওয়ে ব্যবসার বিশাল প্রসার । বাঙ্গালিদের জন্য রেস্তোরা ব্যবসা একটা বিরাট সামাজিক প্রতিপত্তিতার উধাহরন । অক্লান্ত পরিশ্রম, অধ্যাবসায়, অসামাজিক সময়ে কাজ করে বাঙ্গালিরা সাড়া বিশ্ব কে দেখেয়ি দিয়েছে তাঁদের ব্যবাসায়িক গুণাবলী ও উৎকর্ষতা ।

কথায় বলে , গ্রেট ব্রিটেনের সাম্রাজ্যে একদা সূর্য অস্ত যেত না – এতই বিশাল ছিল ব্রিটিশ কলোনিয়াল সাম্রাজ্য – যার ফলশ্রুতিতেঃ এই দেশে বর্তমানে বসবাস করছে সেই সব কলোনির বিশাল জনগোষ্ঠী – কিন্তু, অন্য কোন কলোনির অধিবাসীরা আজও অর্জন করতে পাড়ে নাই বাঙ্গালিদের মত অবস্থান । এটা যে কি গর্বের বিষয় তা ব্রিটেনে না বসবাস বা পর্যটক হিসেবে না আসলে দুর থেকে কেই অনুধাবন বা উপলব্ধি করতে পারবে না ।

বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মোট জনসংখ্যা আনুমানিক (সরকারী হিশাব অনুযায়ী ) ৪৫০,০০০ এর মত – ব্রিটেনের মোট জনসংখ্যার ০.৭ শতাংশ মাত্র – কিন্তু ঐ ০.৭ শতাংশ জনগণ ব্যবসায়িক ভাবে ১০০ শতাংশ জায়গায় বিদ্যমান । একবার ভেবে দেখুন কি বিশাল এই ব্যবসায়িক সাফল্য ।

এই ব্যবসার সাফল্যমণ্ডিতটার প্রমাণ সচক্ষে অবলোকন করতে উৎসাহিত হলে যেতে হবে ব্রিটেন বা আমেরিকা থেকে যথাক্রমে ৫০০০ থেকে ৭৮০০ মাইল দুরে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক নিসর্গ ঘেরা সিলেট অঞ্চলে – খাসি পাহাড়ের ছায়ার চাঁদরে ঢাকা , নীলাভ হাওড়ের জলে সবুজ চা গাছের মসৃণ পাতার প্রতিচ্ছবির প্রতিবিম্ব ঘেরা এলাকায় । স্বচক্ষে দেখতে পাওয়া যাবে উন্নয়নের ফিরিস্তি, অট্টালিকা ঘেরা সবুজ গ্রাম, প্রাশাদপম বিশাল নব্য রাজার রাজবাড়ি, গ্রামে, গঞ্জে ক্যান্সার গবেষণা কেন্দ্র, উন্নত মানের চিকিৎসালয়, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ব বিদ্যালয়ের সমারোহ । যেন একটা প্রতিপত্তি – উন্নয়নের মহা মেলা । জাফলং থেকে চুনারুঘাঁট, জকিগঞ্জ থেকে ধিরাই, সুনামগঞ্জ থেকে শ্রীমঙ্গল এই সব এলাকা জুড়ে গড়ে উঠেছে দেশের ভিতর এক অন্য দেশ ; এক কস্মোপলিটন সিলেট – এক ভিন্নরুপী জনপদ । আর এইসবের অর্থের প্রধান ও একমাত্র উৎস ব্রিটেনের কারি ব্যবসা ।

প্রসঙ্গত বলা উচিত যে ১৯৬০ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এই সব কারি ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে কম করে হলেও ন্যূনতম ৫০ বিলিয়ন ব্রিটিশ পাউন্ড বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণ করেছেন । কারি ব্যবসা বাংলাদেশের তথা ব্রিটেনের অর্থনীতিতে রেখে আসছে এক বিশাল অবদান ।

অথচ, আজ সেই কারি ব্যবসা নিমজ্জিত হতে যাচ্ছে এক অনির্বাণ অনিশ্চয়তায় । বিশাল জগ দদল পাহাড়ের সম্মুখীন সেই ব্যবসা । দিনে দিনে ম্রিয়মাণ হয়ে যাচ্ছে কেমন যেন । অনেক অনেক কারি ব্যবসা আজ বন্ধ হবার সম্মুখীন ।

বাংলাদেশি সম্প্রদায় যদি এই সব সমস্যা গুলো অতিক্রম করতে না পারে তাহলে আগামী পাঁচ বছরের ভিতর ৭৫% রেস্তোরা বন্ধ হয়ে যেতে পাড়ে ।

সমস্যা গুলো কি ?

* জনবলের অভাব দূরীকরণ
* ম্যেনু আধুনিককরন
* মার্কেটিং ও প্রমোশন এর অভাব
* নতুন এবং আধুনিক সরঞ্জাম সংজোজন
* সামাজিক এবং ইন্টারনেট এর যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলা প্রয়োজন
* লাঞ্চ, ব্রেকফাস্ট এবং ডিনার এই তিন সময়ে রেস্তোরা খোলা রাখার প্রচলন
* ইপোস সিস্টেম এবং অনলাইন অরডার সিস্টেম চালুকরন
* স্বাস্থ্য সম্মত, আধুনিক এবং প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সেফ এবং কিচেন স্টাফ নেওয়া
* ম্যেনু সংক্ষিপ্ত করন
* অ্যালার্জি এবং অন্যান্য খাদ্য জাতীয় অ্যালার্জি সম্পর্কে শিক্ষাদান
* সেলস টেকনিক শিক্ষা প্রাপ্ত ওয়েটিং স্টাফ নিয়োগদান কড়া
* প্রলিফারেসন কমাতে হবে একই শহরে-১৬ টি অসুস্থ ব্যবসা থেকে সুস্থ ৬ টা শ্রেয়
* কর্পোরেট সোশাল রেস্পন্সিবিলিটি সম্পর্কে আরও সজাগ হওয়া প্রয়োজন
* কন্সুমার সার্ভে এবং কন্সুমার দেড় সাথে পি আর বৃদ্ধি করন
* মিডিয়া, প্রেস ও ফুড সমোলচক দেড় সাথে আরও ঘাড় সম্পর্ক গড়ে তোলা
* রেস্তোরা মালিক পরিবারের মহিলা জনগোস্টি কে ব্যবসায় সম্পৃক্ত করে জনবল সমস্যা লাগভের বাবস্থা করতে হবে। সূত্রমতেঃ ৫১% জনবল মহিলা এই কমুনিটিতে
* সারা গ্রে ব্রিটেন ব্যাপি সব বাংলাদেশি রেস্তোরার আসল সংখ্যা নিরূপণ কড়া
* প্রত্যেক সিটি, নগরী , শহরে বাংলাদেশি চ্যাম্বার অফ কমার্স প্রণয়ন করেত হবে
* ব্রিটিশ সরকার এবং বাংলাদেশি রেস্তোরা মালিকদের যৌথ মালিকানাধীনে এবং উদ্যোগে এলাকা ভিত্তিক রেস্তোরা সেফ-কুক-ওয়েটার এবং ব্যবস্থাপনা ট্রেনী প্রশিক্ষণের জন্য স্কুল স্থাপন করার উদ্যোগ গ্রহণ

মোর ছেলেবেলা

এসেছি ফিরে স্মৃতির চড়ে সোপানে

চড়ে বহু পথ হেঁটে হেঁটে সন্তরপনে ।

নিভৃতে নিরবে বিদ্যালয়ের মোহে

বন্ধুত্ব, ভাতৃতব, গুরুজনের স্নেহে।

প্রকট ভুমিকা রেখেছে বিদ্যালয় মোর

মনে পড়ে শিশিরের বিন্দু ভেজা ভোর ।

বালক, যুবক বেলার বনধু দের মাঝে

আনন্দে যেন আসছে, নেত্র না বুঝে ।

বিদ্যাপীঠের সকলের কাছে আজও ঋৃণি

মনে পড়লেই আসে মোর চোখে পানি ।

আবার মন চায় বারবার যেতে ফিরে

সেই সব শৈশব, বাল্য বন্ধুদের ভিরে ।

মনে পরে বৃসটির জলে হাডুডু খেলা

ইস ! যদি ফিরে পেতাম মোর ছেলেবেলা।

“আমার ৮ম বিএমএ”

কেন ছুটে যাই রাত নিশিতে

কেন ছুটে যাই অবারিত মোলাকাতে

প্রাতে গোধুলিতে কিংবা গভীর রাতে

জানিনা এই অমোঘ বিনি সুতো গাথা

বন্ধু বাৎসল্যতার বেড়াজালের ব্যথা

কেন ছুটে যাই আলিঙ্গনের প্রত্যাশিতে

কিবা দিন কিবা সন্ধ্যায় বা গভীর রাতে

কয়েক শতাব্দী মাইল অতিক্রম করত

মিলিত হই মহামিলনের বেদীমুলে ক্লান্ত

সুনিবির সময় অতিবাহনের প্রত্যাশায়

ফিরে আসি ব্যাথিত, খুশী , অসহায়

হাসি নিরলিপতো অবারিত আলিঙ্গন

ক্লান্তি মৌনতা একাকিত্ব যেন বিমোচন

A newspaper interview in Bangladesh



Thought About The Judicial System Of Bangladesh

What surprises me about Bangladesh is …

“The Justice’s goes out of job and have time to write books.”

However when they are in service they don’t have the time to hear the pending cases. Over 3.3 million cases are pending.

Can anyone imagine how these poor peasants – day labourers – small time businessmen’s – couples with inheritance – land dispute – criminal cases are coping with attending courts every month and paying the odds of fees to advocates – bribe to the people of cloth – bokshish to chaprashis ( travels allegedly upwards ).

Ironically the judicial system has never paid much heed to reduce those pressures of legacy court cases.

They are more concerned about who governs who !

My sources told me judges in lower court only sit 20 to 40 minutes in EZLASH a day out of 8 hours. 200 minutes in a week ?

Do you think these 3 million cases will ever be dealt legally with a proper verdicts and clear the mess?

Taxpayers need to know if their money is judiciously (?!) spent to have this judicious system which is not fit for the dealing with the job in their hands? Or not?

Judges are the last place that people go. To prove their innocence and get an impartial justice. But in these case it does not seem like anyone would ever get a justice in their lifetime.

Judicial system : is it value for money or is it a another Burden Of Proof?

Heart goes out to those millions of defendants and accused slogging for years after years to get a justice in vain.

This argument is not a contempt of court. It’s the words of the voices of millions speechless sufferers of the system.

The remedy must come for the judicial system to the govt to facilitate smoothing the load. But don’t see any pragmatic proposals from them. I am sure if need be 3-4K new judges can be inducted or introduce Justice Of Peace like UK where volunteer magistrates dispose off 97% of cases.

Hope good senses prevail. The judiciary becomes more benevolent to eradicate the suffering of those silent millions of people embroiled in these cobweb of justice.

Brick Lane – London

Meeting -greeting – networking with friends….. বিলাতে বাংলাদেশের বাংগালিদের তীর্থস্থান – মহামিলনের কাফেলার ঝানডা পতপত করে উড়ছে ঈষান কোণে : গোধূলীতে মোয়জজিন্নএর আজানের আকুতি অপুর্ব মসৃন সুর – বিরক্তি শুধু একটা গোয়ালনদ ঘাটের ভাতের ফোটেল ( হোটেল মানে রেস্তরাঁ) টাউট দের ডাকাডাকি – আসুন ডাইল হিরি ( ফ্রি )……

তা’ছারা সব ভাল : ভরপেট ভাত – মাছ – মাংস ডাল দিয়ে খেয়ে : খয়ের ছাড়া এক খিলি পান চিবুয়ে বড় একটা ঢেঁকুর তুলে ঘরে ফেরার আনন্দই ভিন্ন !!!!!

An obituary : Firoze BHAI

Syed Sajedur Rahman Firoz & I
With Firoz Bhai In Edinburgh Cricket Stadium during 1999 World Cup Cricket – When Bangladesh Played for the first time.

An obituary : Firoze BHAI
My hero ; my friend : my idol
I did not want to see him in that state.
Wanted to remember him for the rest of life as how we used to see him in his immaculate attire, panache ,with his baritone voice and larger than life personality.
I will miss you Firoz BHAI.
It has been always a joy to have a banter with you and shall cherish our Association.
You shall remain in our hearts forever as my tall handsome, dandy firoze BHAI.
A child in his wondering eyes,a friend of strength in despair, a joy to have in any gathering & a man of wisdom in need.
May Allah give you the best abode in your future journey of excellence hereinafter.
My handsome firoze BHAI I will miss you dearly.

আমার উপলব্ধিতে স্বাধীনতা যুদ্ধ – ১৯৭১

পাণ্ডব পুরে থাকতে থাকতেই একদিন খবর পেলাম আমাদের পিতা সিলেট অঞ্চলের শমশের নগর – চাতলাপুর বিওপি এলাকায় ক্যাম্প বানিয়ে তার চার্লি কোম্পানির ৪৫- ৬০ জন সৈনিক নিয়েই একা একাই মুক্তিযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে – আর কৈলাসশহরে মেইন বেজ ক্যাম্প স্থাপন করেছে ; আমাদেরকে খবর পাঠিয়েছে ওনার ওখানে চলে যাবার জন্য । সবাই দল বেধে যাওয়ার আগে মা বললেন চলো মুন্না আমি আর তুমি গিয়ে আগে দেখি আসি ওনাকে । যেন আমরা রেকি করতে যাচ্ছি – ঐ অল্প কদিনেই অনেক যুদ্ধবিদ্যার অনেক নাম শিখে ফেলেছিলাম ।
একদিন আমরা সকালে দিলাম রওনা – পাণ্ডবপুর থেকে মেঠো লাল মাটির কেঁদো পথ, পিচ্ছিল আঠালো মাটি হেঁটে পৌঁছলাম প্রায় ১০ মাইল দুরে গকুলনগরে – গকুলনগরে এ বিশাল শরণার্থী সমাবেশ – হাজার হাজার পরিবার রাস্তার দুই পাশে খোলা আকাশের নিচেই আশ্রয় নিয়েছে – খর, গাছ, বাঁশ, ছন, পলিথিন দিয়ে যে যেমন ভাবে পারছে ঘর – ঝুপড়ি বানাতে লেগে গেছে – গকুলনগর এর পাশেই শেখের কোটের উপর দিয়েই আগরতলা – শাভ্রুম মহা সড়ক -এই কয়েক মাইল হেঁটেই আমরা দুজন ক্লান্ত – । দুপুর হয়ে গেছে – মে মাসের কড়া রোদ আর ঘন ঘন বৃষ্টি একটা গাঁটটির মধ্যে আমাদের দুজনের এক এক জরা কাপড়, ঘরে বানানো ১০ টা রুটি আর চার পাঁচটা চাকা পাটালী গুড় ।এই আমাদের কৈলাসশহর পর্যন্ত পৌছার আহারের উপাদেয় খাদ্য । একটা গাছের নিচে ছাতক পাখির মত অপেক্ষা করতে লাগলাম আগারতলা অভিমুখী বাসের জন্য । আমরা ছাড়া আরও দুটো পরিবার ও অপেক্ষা করছিল বাসের জন্য । মা ওদের সাথে নিমিষেই বন্ধুত্ব পাতিয়ে ফেললো ওরাও আমাদের মত আগরতলা যাবে , ওখান থেকে বাস বা ট্রাক বা অন্য কিছুতে করে যাবে ধর্মনগর পর্যন্ত – ধর্মনগর থেকেই ব্রিটিশ দেড় বানানো ট্রেন লাইন শুরু – ওখান থেকে ওরা ট্রেনে করে যাবে কলকাতা – সেখানে ওদের সব খেস কুটুম রা থাকেন । মা’ তার কলকাতা তে ফেলা আসা জীবনের গল্পে মশগুল হয়ে গেলো । সবার উঠারমত জায়গা না থাকাতে প্রথম বাস তা মিস করলাম । বাসে, ট্রাকে, রেলে নাকি কোন টিকেট বা ভাড়া দিতে হয় না – খালি জয় বাংলা বলেই সব মৌকুফ । আরও দুই তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর একটা জিপ আমাদের পাস দিয়ে খুব ধীর গতিতে পাড় হয়ে গেলো – অল্প দুর যেয়েই রিভার্স গিয়ারে আবার ফেরত আসতে লাগল আমাদের নিকটে , রাস্তা একদম ফাকা প্রতি ঘণ্টায় দুটো গাড়িও চলাচল করে না , বড় উঁচু বিরাট বডি ওয়ালা লরি আর লক্কড় ঝক্কর মার্কা বাস – আমাদের দেশের তামাবিল টু সিলেট বন্দর বাজার এর করিম সু’য সংলগ্ন বাস স্ট্যান্ডের সেই দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময়ের ব্রিটিশ আর্মির পরিতাক্ত লড়ী গুলোকে কনভার্ট করা সেই বাসের মতই আগরতলা – বিশালঘর – মেলাঘর- বিশ্রাম পুর উদয়পুর – সাব্রুম রুটের বাস গুলো দেখতে । স্বাধীনতা ১৯৪৭ পেলেও এই জনপদের কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি । ইতিমধ্যে জিপটা এসে থামল আমাদের পাশে – জয় বাংলার ছি যে সিক্স কায়যার জিপ মার্কিন যুক্তরাজ্যের হ্যান্ডশেক এর লোগো লাগানো একটা জিপ হুড বিহীন – সামনে চাঁদর পরিহিত একজন মহিলা আর গাড়ির চালক বেশ তরুণ, উস্খখুস্ক চুল, মুখ ভর্তি চাপ দাঁড়ি, সবুজ ভারতীয় আর্মির মত অলিভ কালারের ড্রেস পড়া, মাথায় মাঙ্কি ক্যাপ, পিছনে বসা দুজন হাঁতে ধরা লম্বা ব্যারেল ওয়ালা রাইফেল – ড্রাইভার নেমে এসে আমার মায়ের ডীকে তাকিয়ে তাখলো অনেক ক্ষণ মা চিনে ফেলল সাথে সাথে জিজ্ঞেস করলো তুমি আজিজ না – ঐ নাম তা শুনার সাথে সাথে গাড়ীতে বসা মহিলা নেমে এসে বললেন ভাবী – ভাবী আমি জানতাম আপনি ছাড়া এটা কেউ না – তাই তো আমি ওকে বললাম গাড়িটা পেছানোর জন্য – আনন্দে আমার মায়ের চোখে পানি চলে আসলো – জড়িয়ে ধরে কেঁদেই ফেলল আম্মা। আমি তো অবাক – একটু ভ্যাবাচেকা খেয়ে গেলাম । আমি গত এক মাসে শুকিয়ে অর্ধেক আর আমি জীবনেও এই গাড়ির যাত্রীদের চিনিও না বা দেখিও নাই কক্ষনো। মা প্রকিতশ্তহ হয়ে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিল – ওনারা আমাকে শাহিন বলে চিনে- গ্রামের সব গুষ্টির লোকেরা আমাকে শাহিন বলেই চিনত । আমার মা’ প্রথমে আমার নাম নাকি রেখেছিল শাহিন তামজিদ । আকিকাও নাকি গ্রামে করান হয়েছিল ঐ নামেই । পরবর্তীতে কোন একসময় আমার বাবা আমার বদলিয়ে ইমরান আহমেদ রেখেছেন – ইমরান নামটা তার খুবই একটা প্রিয় নাম । পরিচয়ের শেষে জানতে পারলাম ওনারা আমার বাবার কাজিন – আমার ফুফু আর আমার কাকা ওনারা – দুই ভাইবোন – বোন বিরাট প্রভাবশালী মহিলা – মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, এম এল এ এবং আওয়ামী লীগের বিশাল নেত্রী – কুমিল্লা এলাকার মুক্তি ট্রেনিং এর অন্যতম কর্ণধার । আগরতলা বা ত্রিপুরার সবচে বড় নেতা শেখ মনির খুবই বিসস্থ উপদেষ্টা এম এল এ মমতাজ বেগম – এতদিন নামেই জানতাম উনি আমাদের আমেনা ফুফু ( আমেনা তার ডাক নাম) আমার বাবার প্রিয় গনি মামার মেয়ে। আম্মা ও আব্বা দুজনেই ঐ পরিবারের সাথে খুবই ঘনিষ্ঠ । আমার এত কিছু জানার কথা না । আমি তো তখনো একটা ছোট মানুষ ।
কোন ভাবেই আমাদের কে ঐ বাসে করে যেতে দিল না – গাড়ীতে উঠিয়ে নিয়ে উলটা ঘুরিয়ে নিয়ে গেলো ওনাদের বাসায় – বিসালঘর এ – চার ভিটায় চার টা ঘর ওয়ালা বিশাল এক বাড়িতে থাকেন ওনারা – ওখানে গনি দাদা, দাদি, ফুফুর ছোট ভাই ফযলু কাকা ও ফুফুর দুই ছেলে লিটন আরে চন্দন আর সাথে পরিচয় হোল। বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা হল – ফুফু আমাদের রেখে চলে গেলেন হাপানিয়া, মতিনগর ক্যাম্পে – রাতে অনেক দিন পড় মাংস আর মাছ সাথে পোলাউ দিয়ে খেলাম । সে যে কি এক তৃপ্তি তা লেখার মত ভাষা আমার জানা নেই ; খাবারের আতিশয্যে ও প্রগলভতায় নিমিষেই গুমিয়ে পরলাম অনেক দিন পড় একটা গুছানো, পরিপাটি বিছানায় ……… এক মুঠো সুস্বাদু ভাত ও খাবার যে কি প্রিয় হতে পাড়ে তাহা সেদিন ই প্রথম উপলব্ধি করতে পেরেছিলাম – প্রায় অর্ধ শতাব্দী পড়েও সেই স্মৃতি আজও প্রজ্বলিত দিবালোকের মত স্বচ্ছ …

খোলা চিঠি

সুচরিতাষু বন্ধু

তোমার এই লেখা পড়ে অনেক স্মৃতি ভেসে উঠলো আমার মনের সেলুলয়েডে

সেই ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়েসের অনেক স্মৃতি – নিউজ পেপার পড়া আমার সেই সময়কার অভ্যাস – দুপুর বেলা ইস্কুল থেকে আসে অন্তত দুই ঘন্টা পড়তাম ।

মনে পরে গেলো অনেক গুলো নাম তোমার লেখা টা পড়ে – ইত্তেফাক ছিল ( আমার মনে হয় – মার্কিন মতাবলম্বী পত্রিকা ) ঐ পেপারের বিদেশ সংবাদ পাতা – তখন ৫ নম্বর পাতায় ছিল

ইত্তেফাক প্রতিদিন আমেরিকা কে মনে হয় খুশি অথবা ওদের প্রোপাগান্ডা করার জন্য হাজার হাজার আফগান গেরিলাদের হাতে রাশিয়ান সৈন্য মেরে ফেলতো অবলীলায় – আমার কাছে মনে হতো ওর বাবা ওদের কত গেরিলা এতো গুলো প্রতিদিন মরার পরও কেমনে ওরা রাশিয়ান বাহিনী ওদের সাথে যুদ্ধ করেই যাচ্ছে – ভাবটাম ইশ যদি চে ‘ গু’ ভাড়া বেঁচে থাকতো তাহলে এই সব ওপ্রেসেড মানুষ গুলোকে মুক্তির সংগ্রামে ও নিশ্চয় চলে আসতো এতো দিনে !

জানিনা কারো এই সব মনে আছে কিনা –

তোমার লেখা পড়ে মনের অজান্তে কেমন যেন চলে গেলাম সেই ১৯৭৩ – ১৯৭৫ এর সেই স্বর্ণালী দিন গুলোতে।

ইত্তেফাকের পাতা থেকে অনেক কিছু শিখেছি যা আজও ভুলি নাই

ব্রিটিশ কঞ্জারভেটিভ পার্টি – রক্ষণশীল দল

ব্রিটিশ লেবার পার্টি – শ্রমিক দল

দিপাক্ষকিক আলোচনা

ভাত্রিপ্রত্তিম দু’ দেশ

পারস্পরিক সহযোগিতা

বন্ধুশুলভ দেশ

আরও কত কি !!!!!

বিলাতে গরম

ওরে বাবা রে বাবা একি গরম
অসহ্য এক জ্বালা চিজ ও নরম
পার্কে পার্কে ঘুমিয়ে আছে পথিক
রোঁদে শরীর ঝলসানো ওদের বাতিক
অর্ধ নগ্ন লোক শুয়ে থাকে ঘাসে
কস্মিন কালে ভদ্রে এমন তাপমাত্রা আসে
সুস্খ সবুজ ঘাস বাদামি যেন সূর্যের সুনামী
রেল লাইনে লৌহ তাপে বৃদ্ধি চলবে না ট্রেন আগামী
জানালার উপর ভুঁ ভুঁ করছে একগাদা মৌমাছি
রানীর জন্য বেস্ত বানাতে ওদের মৌচাক বাজাচ্ছে তীক্ষ্ণ এক বাঁশি
কান ঝালাপালা গুন গুন ভুঁ ভুঁ এর আওয়াজ শুনে
কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ দল আসলে বুঝবে ও জ্বলবে ওরা তেলে বেগুনে
গ্রীষ্ম কালের নীল আকাশে ড্রোন
মাকড়সার মতো উড়ছে সারাক্ষন

গরমে অতিষ্ঠ পথিক একা
দূর মাঠে দেখতে যেন পাচ্ছে মরীচিকা

কোথায় যে সেই জেন্টলম্যান ; আজও খুঁজছি ?

​১৯৮৬ সাল ​ ফেব্রুয়ারি মাস ছিল ওটা (মনে হয়) – আমি বাংলাদেশ আর্মিতে – ১৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের এডজুটেন্ট স্বভাবতভাবেই: রাত বিরাত উজাগর করে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কোর্ট অফ ইনকোয়ারি – স্টক টেকিং- ট্রেনিং বছরের ট্রেনিং প্রোগ্রাম লেখা অথবা জাস্ট প্রাত্যহিক রেজিমেন্টের এডমিনিস্ট্রেশন চালানোর কাজে ব্যস্ত, রাত প্রায় সাড়ে আট টা । এডজুন্টেন্টের অফিস ঘরে বসে আছি – অতীব মনোযোগ দিয়ে কিছু একটা লিখছিলাম – সহসা ক্রিং ক্রিং করে টেলিফোন টা বেজে উঠলো – তার কিছুক্ষন আগে আমি ডিউটি ক্লার্ক রফিক বাবুকে ডেকে বলেছিলাম টেলিফোনে টা যাতে উনিই ধরেন। কিন্তু অনেক গুলো রিং বাঁজছে অথচ কেই ধরছে না তাই – অনেক টা বিরক্ত হয়েই দূরালাপনীর যন্ত্র টা উঠালাম।

যথারীতি নিজের আত্ম পরিচয় বাহবার সাথে প্রকাশ করত: অপেক্ষা করলাম ওপর পারে আওয়াজের অপেক্ষায় – একটা অতি নম্র ভদ্র গলার শান্ত একটা মৃদু পুরুষের গলা শুনতে পেলাম –

অনেক চিন্তিত এবং বিষন্ন মনে হলো ওনাকে – আমাকে জিজ্ঞ্যেস করলেন আমার কোর্স এবং রেঙ্ক এবং আমার পল্টনের পদবি কি ইত্যাদি।

খুবই দুঃখিত – নিরুপায় এবং অত্যন্ত বিনীত উনি – আজ ও সেই ত্রিশ বছর পরও – মনের সেই শব্দের আর্কাইভে রেকডিং টা ভেসে উঠছে।

কলার কে প্রশ্ন করলাম – কি করতে পারি আমি ওনার জন্য –

ওপর প্রান্তের ঐ কলার বললেন – ভাই ইমরান – আমি খুবই মর্মাহত এবং চিন্তিত – তোমাদের ফিল্ড মেসে আমার একটা বিল বাকি আছে এবং তোমার সহ অধিনায়ক বেশ একটা কড়া ভাষায় চিঠি দিয়েছেন কিন্তু আমার তো এখন এই এই কারণে ৭ দিনের মধ্যে চেক পাঠানো সম্ভব নয়। তুমি ওনার সাথে একটু কথা বলে – আমার অনুরোধ টা ওনাকে জানাতে পার বে ? যাতে আমি আরো দুই সপ্তাহ সময় পাই – কারণ উনি বললেন উনি পার্বত্য এলাকায় যুদ্ধ এ ব্যস্ত।

বললাম স্যার কত টাকার বিল বকেয়া আছে ? বললেন সামান্য তিন শ কয় টাকা – আমি একটু চিন্তা করে ভাবলাম – আহা রে – কি একজন ভদ্র মানুষ এবং খুবই ভারাক্রান্ত – ভয়ে – কি জানি আবার কিনা হয় – সামান্য কয় টা টাকার জন্য।

উত্তরে বললাম – স্যার আপনি কোনো চিন্তা করেন না – আমি দিয়ে দিবো আমার পকেট থেকে আপনি পারলে সময় হলে আমাকে পাঠিয়ে দিয়েন – যদি পারেন – সময় যদি হয়।

উনি কখনও ভাবতেই পারেন নি এটা আমি উপযাচক হয়ে ওনাকে উপহার দিবো – চিঠির ভাষার ভয় থেকে স্বস্তি !

ভীষণ আনন্দিত এবং রিলিভ পেলেন বলে মনে হলো- অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং ব্লেসিং ও দিলেন – প্রতিজ্ঞা করলেন অতি সত্তর পাঠিয়ে দিবেন – আমি কৃতার্থ হয়ে বললাম স্যার – যখন পারেন তখন পাঠিয়ে দিয়েন। আমাকে অনেক অনেক আশীর্বাদ দিলেন উনি।

যাহা বলা তাহাই কাজ – বেল টিপে রানার দুলাল মিয়া কে বললাম একাউন্ট ক্লার্ক সাত্তার বাবুকে সালাম দেবার জন্য – দশ – পনেরো মিনিটি আগেই ওনাকে দেখেছিলাম তার কোনার অন্ধকারাচ্ছন্ন ঘুপটি মার্ক রুমে বসে আধো আলো আধো অন্ধকারএ কাজ করছেন – একজন অতন্ত ভদ্র – পরিষ্কার পরিছন্ন মানুষ ছিলেন হাবিলদার ক্লার্ক সাত্তার – আসলো আমার অফিসের সামনে এসেই সেই স্বভাবসুলভ মিষ্টি একটা হাসি দিয়ে বললেন স্যার আসবো ?

ওনাকে সব খুলে বললাম এবং বললাম ঐ বিলটা ওনার নাম থেকে কিভাবে চেঞ্জ করে আমার নামে করা যায় ;

আমি বললাম আমি পে করবো এই পয়সা – ওনার নাম বকেয়া লিস্ট থেকে কেটে দিতে কি করা লাগে তা যেন কাল সকালে টুআইসি সাহেবের সাথে বুঝে করে ফেলেন । বললাম ঐ সাহেবের আর যেন কোন প্রেম পত্র পাঠানো না হয়। আমাদের মহা সহ অধিনায়ক মেস বিল আর পিটি প্যারেডে দুই মিনিট লেট বা বিল দিতে একমাস দেরী হলো মুহূর্তের মধ্যে দুর্গা পূজার মণ্ডপের সেই অশুরের রূপে আবর্তিত হতেন কিন্তু গরীব লেফটেন্যান্ট রা যখন রাত দশটা পর্যন্ত অফিসে বসে কাজ তার জন্য কখনো বাহবা দিতেন না। কি বিচিত্র ঐ সহমর্মিতার বেদি – যেখানে কামারাদ্দারী নামক শব্দটা নিছক ছিল একটা বুলি- বাস্তবে দিল্লী দুরস্তি।

তারপর – ঘটনার যবনিকা।

নাম টা ঐ কলারের একদম মনে নাই – ইতিমধ্যে বগুড়ার প্রসিদ্ধ করতোয়া নদীর জলরাশি অনেক দূর গড়িয়ে গেলো একদিন ঐ স্রোতে ভেসে ভেসে আমিও খোকা বাবুর মতো প্রত্যাবর্তন করিলাম।

জানিনা আদৈ কি কোনো চেক উনি আমাকে পাঠিছিলেন কি না – না পাঠানোটাই স্বাভাবিক কারণ আমি বারণ করেছিলাম যদিও উনি বার বার উপযাচক হয়েই বলেছিলেন অব্যশই আমার এই উদার ঋন শোধ করবেন।

জানিনা উনি আমার এই লেখাটা কি কোনোদিন দেখবেন বা পড়বেন – ভাবলাম অনেক অফিসারই আজকাল সামাজিক হয়ে গেছেন সামাজিক মাধ্যমের কৃপায়।

যদি আপনি ই সেই দূরালাপনীর কলার – তাহলে যোগাযোগ করলে; বাধিত হবো – ভুলে যান সেই অথর্নৈতিক অঙ্ক।

অনুগ্রহ: যোগাযোগ করুন – আপনিই যদি সেই আপনি ?

বাচ্চা আন্দোলন বনাম স্বাধীনতা যুদ্ধ ১৯৭১

ভাগ্য আমাদের খুব ভালো যে স্বাধীনতা যুদ্ধ টা ১৯৭১ এ হয়েছিল,২০১৮ তে হয় নাই ।

যদি ২০১৮ হইলে সব এডালট রা জংগলে গিয়ে লুকিয়ে যেত আর ১১ থেকে ১৫ -১৬ বছর বয়সী বাচ্চাদের পাঠিয়ে দিত পাক হানাদার বাহিনী কে মোকাবিলা করতে ।

আর লুকিয়ে, আরামে শুয়ে,বসে ঘুমিয়ে গ্যালারিতে বসে থাকা দর্শকদের মত করতালি দিয়ে , গল্প লেখে, লাইভ পোস্ট ,বাচ্চাদের মাইর খাওয়ার রেকর্ডিং করে বাহবা নিত।

আলেকসজানডার কি এমনিতেই বলেছিলো ‘ কি বিচিত্র এ’দেশ সেলুকাশ ‘ যদিও সেকান্দর বাদশা ৩০০০ হাজার মাইল দুরে ঝিলাম নদীর পারে বসে বলেছিল – ক্যামনে সে জানিত ? এত সত্য একটি কথা ?

Epitaph at my mother’s final resting place – আমার মায়ের শেষ নিদ্রাস্থলের লেখনী ।


A mother’s happiness is like a beacon, lighting up the future but reflected also on the past in the guise of fond memories.

Rest in peace Ma….. Munna

Migration Issues ; Bengali

Bengali Migration Backlash :

Its not conspiracy: it’s the fate of BENGALI people : our ancestors I think made a big mistake by making their living on the mouth of the Ganges delta leaving the higher lands, tillas, pahars and mountains empty to the Jin,vooth, pori’s and debota and gods……

That alluvial land of our abode became too small to feed the all the mouths.

Hence these Bengali people had no choice but to fan out for seeking fortunes in the surrounding higher lands for mitigating hunger,shelter, employment and safety. It started well over few centuries ago and now those migrations are on reversal.

Lack of leadership,lack of innovation and education we are where we are.

Religions and imported religious practises made us into day dreamers to hope all will be sorted by the supernatural power. We don’t have to do anything.

Panchayat and mosques /village leaderships influenced our ancestors to not to embrace English education from 1780 to 1947 have taken us to a mammoth back footing.

Poverty – impoverishment – day dream – natural calamity ( which is bound to happen if you live on flood plain) hindered our progression.

Therefore, these millions of poor’s mass exodus and hopelessness of these people has created this massive headache for our neighbors.

You might see anothere few waves of repatriation of those who went seeking fortunes elsewhere where they remained all these years sitting in the underbelly of those soceities never could gather mass to become formidable stake holders of their abode.

How do we address this !?

Migration is the essence of human civilisation.

These people must be given the respect by making naturalised citizens. Humanity demands this.

A WordPress.com Website.

Up ↑

%d bloggers like this: